হাম রোগের বিস্তার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, সচেতনতার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের
হেলথ্ ডেস্কঃ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাম রোগের সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, হাম মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে অন্যদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, স্কুল, পরিবার বা জনসমাগমস্থলে এই রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, হাম আক্রান্ত ব্যক্তি শরীরে ফুসকুড়ি ওঠার প্রায় চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পরে পর্যন্ত অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। অনেক সময় রোগের লক্ষণ স্পষ্ট হওয়ার আগেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সময়মতো টিকা গ্রহণ করা। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এমআর বা এমএমআর টিকা দিলে হাম থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, শিশুর জ্বরের সঙ্গে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সচেতনতা ও সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমেই হাম রোগের বিস্তার অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।